কুড়িগ্রামে তিন বছর ধরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা বিতরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে জেলার ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নাগেশ্বরী উপজেলার নন্দনপুর প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়ে চার শতাধিক কাঁঠাল চারা বিতরণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়।
বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুড়িগ্রাম পিটিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট ও গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা রবিউল ইসলাম।
নন্দনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.কে.এম. হোসেন রাজুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সুব্রত ভট্টাচার্য, নন্দনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান সঞ্জয় চৌধুরী, জেলা সমন্বয়ক অপর্ণা রায়, কুঞ্জ বিহারী রায় ও তমাল হোসেন এবং নাগেশ্বরী উপজেলা সমন্বয়ক সুমন চন্দ্র সেন।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং রিনিউ নাউ ও গ্লোবাল সিটিজেন ফর ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় গত তিন বছরে জেলার ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে ১০ হাজার কাঁঠাল চারা বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানে গঠন করা হয়েছে গ্রিন ইকো ক্লাব।

চারা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাশেদ বলে, ‘আমি খুবই খুশি। বাড়িতে গিয়ে নিজেই গাছটি রোপণ করব।’
তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী মারুফা বলে, ‘আমি মায়ের সহযোগিতা নিয়ে গাছটি লাগাব।’
গ্রিন ইকো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান সঞ্জয় চৌধুরী বলেন, জলবায়ুর নেতিবাচক পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিবেশ সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই প্রথম ধাপে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে রবিউল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা জাতির ভবিষ্যৎ। পরিবেশ দূষণ রোধে পলিথিনের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধ করা জরুরি। এ বিষয়ে সচেতনতা পরিবার থেকেই শুরু হওয়া প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন