চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জনের নাম করে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং চাঁদা না দিলে গ্রেপ্তারের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পল্লী চিকিৎসক ফিরোজ কবীর।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার রানিহাটি ইউনিয়নের লালাপাড়া মোড় এলাকার একটি বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ফিরোজ কবীর বলেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর রামচন্দ্রপুরহাটে তার চেম্বারে কয়েকজন ব্যক্তি হঠাৎ এসে ছবি তুলতে শুরু করেন। তাদের মধ্যে এসএম রুবেল নামে একজনও ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।
ফিরোজ কবীরের ভাষ্য, পরিচয় জানতে চাইলে ওই ব্যক্তিরা নিজেদের জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে এসেছেন বলে পরিচয় দেন। একই সঙ্গে অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে মানহানি করা হচ্ছে।
ফিরোজ কবীর বলেন, তিনি স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক দুরুল হোদা, ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান ডলারসহ স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।
তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন