মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সাচিলাপুর বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি ইলেকট্রিক ও স্যানিটারি দোকান পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর দাবি, আগুনে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে।
জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত আনুমানিক ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে সাচিলাপুর বাজারে অবস্থিত লিপ্টন ইলেকট্রিক অ্যান্ড স্যানিটারি দোকানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দোকানটির মালিক ব্যবসায়ী মো. রবিউল ইসলাম, যিনি আইবিডব্লিউএফ (Industrialist & Business Welfare Foundation)-এর সাচিলাপুর বাজার কমিটির সদস্য। তাঁর বাড়ি শ্রীপুর উপজেলার সব্দালপুর ইউনিয়নের কাজলী দক্ষিণপাড়া গ্রামে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট অ্যান্ড বিজনেস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন (IBWF)-এর একটি প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত দোকান পরিদর্শন করে ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আইবিডব্লিউএফ যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের অঞ্চল পরিচালক আলহাজ আব্দুল মতিন, মাগুরা জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক সাইদ আহম্মদ বাচ্চু, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, রিকশা-ভ্যান শ্রমিক ঐক্য পরিষদের মাগুরা জেলা শাখার সভাপতি ও সাংবাদিক মো. সাইফুল্লাহ, আইবিডব্লিউএফ শ্রীপুর উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ফখরুদ্দিন বিশ্বাস মিজান, উপজেলা শাখার সভাপতি ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী আব্দুল আওয়াল সবুর, সাধারণ সম্পাদক ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মোল্ল্যা মিজানুর রহমান, সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, সহকারী সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাজাহান আলী মোল্ল্যা, শ্রীপুর ইউনিয়ন শাখার উপদেষ্টা মাওলানা ইনছান আলী, সব্দালপুর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ মকলেছুর রহমান, দারিয়াপুর ইউনিয়ন শাখার উপদেষ্টা মাওলানা আবু বক্কার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মোফাজ্জল হোসেন, মাওলানা রিজাউল ইসলাম, মো. বাবর আলীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পরিদর্শন শেষে আইবিডব্লিউএফ যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক আলহাজ আব্দুল মতিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী রবিউল ইসলামের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি আইবিডব্লিউএফ-এর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করেন।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন