
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও শক্তিশালী ও পেশাভিত্তিক করতে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-এর শাপলা হলে “ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা” প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী ল্যাপটপে বাটন চাপ দিলে সোনালী ব্যাংক-এর অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রত্যেক ক্রীড়াবিদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে এক লাখ টাকা করে পৌঁছে যায়। পরে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে ক্রীড়া কার্ড তুলে দেন তিনি। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনকারী ক্রীড়াবিদদের সম্মাননাও দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠান শুরু হয় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। পরে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা হয়। স্বাগত বক্তব্য দেন ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবউল আলম। এরপর প্রদর্শিত হয় একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি, যেখানে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং আরাফাত রহমান কোকো-এর অবদান তুলে ধরা হয়।
ডকুমেন্টারিতে খেলোয়াড়দের জীবনমান উন্নয়ন, নতুন খেলার মাঠ নির্মাণ, তৃণমূল থেকে মেধাবী খেলোয়াড় তুলে আনা এবং দেশের ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

এই কর্মসূচির আওতায় সাফ ফুটসালজয়ী নারী দল, কাবাডি, ভলিবলসহ ২০টি ডিসিপ্লিনের ১২৯ জন ক্রীড়াবিদ সম্মাননা ও ভাতা পেয়েছেন। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এখন থেকে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ক্রীড়াবিদরা বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন। তবে স্বনির্ভর হওয়ায় ক্রিকেটাররা এ তালিকার বাইরে থাকবেন।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, যেসব ক্রীড়াবিদ বেতন কাঠামোর আওতায় আসবেন, তাদের প্রতি চার মাস পরপর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হবে। পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে তারা সুবিধা অব্যাহতভাবে পাবেন, আর ব্যর্থ হলে তালিকা থেকে বাদ পড়বেন।
তিনি আরও জানান, আগামী এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এ বেতন কাঠামোর আওতায় আনা হবে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমেদ আযম খান, মিজানুর রহমান মিনু, শামা ওবায়েদ ইসলাম, ইসমাইল জবিউল্লাহ, আবদুস সালাম এবং আসাদুজ্জামান রিপন।
মন্তব্য করুন