জাতীয় পার্টি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব আবদুস সাত্তার রনি ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে নগরীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই কন্যাসন্তান, অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, দলীয় নেতাকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা মাস্টারহাট জামে মসজিদে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
জানাজায় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, চট্টগ্রাম মহানগর, দক্ষিণ ও উত্তর জেলা জাতীয় পার্টি এবং বিভিন্ন উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ক্রীড়া সংগঠনের বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
আব্দুস সাত্তার রনির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক আবু তাহের, দক্ষিণ জেলা আহ্বায়ক মুহাম্মদ নুরুচ্ছফা সরকার, কেন্দ্রীয় নেতা আমান উল্লাহ আমান, আলহাজ নুরুল ইসলাম কমিশনার, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী ফরিদ আহমদ চৌধুরী, বোরহান উদ্দিন ফারুকী, কাজী খোরশেদ আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক আহমদ চেয়ারম্যান, মনির চেয়ারম্যান, ডা. খোরশেদ আলম, নুরুল ইসলাম, মোস্তাক আহমদ, জাহাঙ্গীর মেম্বারসহ জাতীয় পার্টি এবং এর বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
পৃথক শোকবার্তায় নেতারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আবদুস সাত্তার রনি দলকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ বাস্তবায়নে তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে কাজ করেছেন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
তারা আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনে উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন অর্জন করেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে জাতীয় পার্টি একজন অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারিয়েছে বলে শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়।
মন্তব্য করুন