মাগুরায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নদী পুনরুদ্ধার, মাছের অভয়াশ্রম সৃষ্টি ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শেষ হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মাগুরা এলজিইডি মিলনায়তনে কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়। সুইডেন দূতাবাসের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সিএনআরএস এ কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন আইইউএনসির প্রশিক্ষক কাজী জেনিফার আজমিরী, মো. তারেক আজিজ, মোহাম্মদ আনিসুর রহমানসহ অন্যরা।
কর্মশালায় বলা হয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নদী, জীববৈচিত্র্য, মাছের অভয়াশ্রম, জলজ উদ্ভিদ, বৃক্ষরোপণ ও পাখির আবাসস্থল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব সংরক্ষণে সিএনআরএস কাজ করছে। এনবিএসের আটটি মানদণ্ড কাজে লাগিয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণে নদী খননের মাধ্যমে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা, মাছের প্রজনন ও সংরক্ষণে অভয়াশ্রম সৃষ্টি এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কর্মশালায় গ্রুপ ওয়ার্ক ও ফিল্ড ওয়ার্কের পাশাপাশি সামাজিক জনগোষ্ঠীর প্রধান সমস্যা চিহ্নিত করা, উপযুক্ত পরিসর ও সংযোগ বিবেচনায় পরিকল্পনা প্রণয়ন, জীববৈচিত্র্যের উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং অর্থনৈতিকভাবে বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসই কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা, সংঘাত ও পারস্পরিক সমঝোতা ব্যবস্থাপনা, পর্যবেক্ষণ ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা এবং দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
কর্মশালায় নদী রক্ষা, নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং নদীদূষণ কমাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়। নদীদূষণ কমলে মাছের প্রজনন ও অভয়াশ্রম সৃষ্টির সুযোগ বাড়বে বলেও কর্মশালায় উল্লেখ করা হয়।
বক্তারা বলেন, নদী ও প্রকৃতি সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জেলে ও অন্যান্য অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
মন্তব্য করুন